ফটোগ্রাফার দিয়ে ছবি তোলা
হ্যালো বন্ধুরা আমি রিতা, আমার জীবনের একটা মজার ঘটনা তোমাদের শেয়ার করবো। ঘটনার সময় ২০১৮ সালে। খাবার টেবিলে আমি আর আমার শাশুড়ী আর জামাই। খাবার মাঝে আমার শাশুড়ী বলে উঠলো দেশে থেকে কি করবি পাশের বাড়ির ভদ্রলোক কানাডায় চলে যাবে ফ্যামিলি নিয়ে। তুইও চেষ্টা কর। আমার জামাই আমার দিকে তাকিয়ে বললো কি করবো সংসার দেখবে কে? আমার শাশুড়ী টাকা না থাকলে কেউ দেখবে না টাকা থাকলে সবাই দেখবে। ওই রাতে সারারাত আমি আর জামাই কানাডায় যাওয়ার প্লান করি। তিন চার সপ্তাহ পর আমার জামাই আমাকে কিছু কাগজপত্র আনতে বলে। আমাদের বিবাহের কাবিননামা ও আমার বার্থ সার্টিফিকেট। আমি বাসা থেকে এগুলো এনে আমার জামাইকে দেই। তিনি কানাডার এক আইনজীবীর সাথে ভিসা সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করেন। আইনজীবীকে সকল কাগজপত্র পাঠানো হল।তিন মাস পর আইনজীবী আমাদের বিবাহের প্রমাণপত্র চাইল সাথে বিবাহের সময় তোলা ছবি চাইল।আমার স্বামী সব ছবি কানাডার আইনজীবীর কাছে পাঠালো। আরো কয়েকদিন পর আইনজীবী আমার ও আমার জামাইয়ের ছবিটা চাইলে। আমাদের কাছে থাকা অসংখ্য ছবি পাঠালো। তিন চার মাস পর আইনজীবী ইমেইলের মাধ্যমে জানালো আমাদের আরো ক্লোজ কিছু ছবি পাঠাতে হবে। তিনি কিছু নমুনা ছবি আমাদেরকে পাঠালো। ছবিগুলো দেখে আমি অবাক হয়ে গেলাম। এত ক্লোজ ছবি তুলে দিতে হবে আমি কল্পনাও করি নাই। আমি আমার আর আমার জামাই চিন্তা পরে গেলাম। সমস্যা হচ্ছে ছবি তুললাম কিন্তু কে তুলে দিবে। কয়েক সপ্তাহ চলে গেছে আমরা কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারি নাই।পরে এলাকার এক ফটো স্টুডিওতে আমি আর আমার হাজব্যান্ড গিয়ে কিছু ছবি তুললাম। ফটো স্টুডিওর ফটোগ্রাফার আমাদের বলল আপনারা কি কানাডা অথবা আমেরিকার ভিসার জন্য আবেদন করেছেন। আমরা বললাম হ্যাঁ। উনি বলল উনি এমন ছবি অনেক তুলে দিয়েছেন যারা কানাডা ও আমেরিকার ভিসার জন্য আবেদন করে।আমাদের পাশের বাসার যে ভদ্রলোক কানাডায় গেছে তার ছবিও তিনি তুলে দিয়েছিলেন। আমি ও আমার জামাই শুনে অবাক হলাম। ঐদিন আমি নরমাল থ্রি পিস পরে গিয়েছিলাম। উনি আমাদের বলে এ ধরনের পোশাক পড়ে ছবি তুললে ভিসা রিজেক্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তারপরও আমি আর আমার জামাই কয়েকটা ছবি তুললাম।ফটোগ্রাফার আমাদের অনেক ক্লোজ ভাবে কিছু ছবি পোজ দিতে বলল। আমি সেদিন অনেক লজ্জা পাইছিলাম অপরিচিত ব্যক্তির সামনে এমন করে ছবি তুলতে। ফটোগ্রাফার আমাদের বলল ভাবি লজ্জা পাইয়েন না বিদেশে যেতে হলে এমন অনেক ক্লোজ ছবি তুলতে হয়। সেদিন আমি আর আমার জামাই চিন্তায় পরে গেলাম। মর্ডান ড্রেস পরে কিভাবে ছবি তুলবো। আমার জামাই তৎক্ষণাৎ সিদ্ধান্ত নিল কানাডায় যাবে না। কানাডার না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে আমরা ঘুমিয়ে পড়লাম।ঐদিন আমি অনেক মন খারাপ করেছিলাম আমার অনেক সখ ছিল কানাডায় যাওয়ার সেখানে সারা জীবন পার করার। কয়েকদিন পর কানাডার আইনজীবী আমার জামাইকে ইমেইল
আরও পড়ুন